Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2021

সাজানো কবর

সোনার বাঙলায় সুখ আজ মৃত পথ-প্রান্তর প্রাণহীন নিস্তব্ধ, মধ্য রাত্রের আঁধারে নিমজ্জিত প্রতি মুহুর্ত কাটে উৎকন্ঠায়। শোকে কাতর নগর-গ্রাম জনহীন নগর যেন, দূরবর্তী গ্রামের প্রাণহীন সন্ধ্যা। নিস্তব্ধ নগরী আতঙ্কগ্রস্ত সোডিয়াম বাতির আবছা আলেয়া ব্ল্যাক’আউট ঘোটা শহর যেন রোজ কেয়ামত। রাজপথে সাহসী শ্লোগান নেই সাহসী জনতার স্রোত কৃষ্ণ বিবরে, মিছিলে শুধুই লাশের আনাগোনা লঞ্চ-স্টিমার বাস বন্ধ খোলা শুধু শ্রমিকের কারখানা শোক-দিবস, শতবর্ষের পূর্তি ভোট ডাকাতি সব আছে, বন্ধ শুধু প্রজন্মের পাঠশালা। শহীদের সাথী হীন রাজপথ মৃত্যুপুরী নগর-গ্রাম সবুজ শ্যামল বাঙলা আজ যেন সাজানো কবর।

মিছিলের ডাক

অনেক অপেক্ষা আক্ষেপের পর এল কাঙ্ক্ষিত মিছিলের ডাক। যে মিছিল মুক্তির যে মিছিল প্রেরণার যে মিছিল জান্নাতি মালেকের। আঁধারে-আলোতে জয়ে-পরাজয়ে সুখে -দুঃখে, আমাদের আছে এক চেতনা সে হলো বিপ্লবী দৃঢ়তা। অনেক অপেক্ষা নির্ঘুম রাতের পর এলো কমরেডের ডাক মুক্তির আহবান আশার আলো এক বোঝা চিন্তা, নিমেষেই দূর হয়ে যায়। আগামী মুক্তির সংগ্রামে জুলুমের শোধ মোরা তুলবোই অত্যাচারির কন্ঠ রোধ করে সুখময় পৃথিবী গড়বোই।

গান্ধীর নোয়াখালী আগমন ও ছাগল সমাচার

গান্ধী ও ছাগল ভারতের মহান নেতা মহাত্মা গান্ধীর নোয়াখালী আগমন নিয়ে অনেক ধরনের গল্প রটলেও প্রকৃত কারন খুব কম লোকই জানেন।একটি কথা প্রচলিত রয়েছে যে, মহাত্মা গান্ধী’র ছাগল চুরি করেছে নোয়ালীর লোকজন।যারা এই কথাগুলো বলেন তারা মূলত মহাত্মা গান্ধী’র নোয়াখালী আগমন এবং ছাগলের পেছনে লুকায়িত সত্য ঘটনা জানেনা। মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালী এসেছিলেন ১৯৪৬ সালে। কিন্তু কি কারনে গান্ধী নোয়াখালী এসেছিলেন সেই ইতিহাস জানিনা বলেই আমরা বলে থাকি নোয়াখালীর লোক গান্ধীর ছাগল চুরি করেছে।যারা নোয়াখালীর লোকদের গান্ধীর ছাগল চোর বলে উপহাস বা তিরষ্কার করেন তাদের যদি জিজ্ঞেস করা হয় গান্ধী কেন নোয়াখালী এসছিলেন? তারা নিশ্চিত এই প্রশ্ন শুনে উন্মাদের মত হা করে তাকিয়ে থাকবে। ১৯৪৬ সালে মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালী আসার কারন হলো তৎকালীন সময় নোয়াখালীতে একটি দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়। ‘‘নোয়াখালীর দাঙ্গা’’। Noakhali Riot লিখে গুগলে সার্চ দিলে সেই ইতিহাস জানা যাবে।তৎকালীন এই দাঙ্গা সম্পর্কে অনেক আর্টিকেল পাওয়া যাবে গুগলে।অনেক আর্টিকেলে একতরফা লেখা হয় যে দাঙ্গায় হিন্দুদের উপর অত্যাচার করা হয়।নোয়াখালীর অধিবাসী হয়ে আম...

ইন্তিফাদা

মহামারী হাহাকার দিগ দিগন্তে খেটে খাওয়া মানুষের ক্রন্দন শ্রমিকের শরীর পুড়ে ভস্ম জীবনের মূল্য হাজার টাকা; বন্যা দুর্ভিক্ষের পূর্বাবাস বিদ্রোহের আগুনে অন্তর ছাই তবু নিঃশব্দ দুর্বল বিপ্লবী রাত গভীর হয় অধিকার আদায়ের স্বপ্ন নিকষ কালো আঁধারে হারায় অধিকার হীন মানুষের নিঃশব্দ কথাগুলো ছন্দে সাজাই কেঁপে উঠে হৃদয়, এই বুঝি কড়া নড়লো ঠক ঠক ঠক কালো বাহনে তুলে নিলো, স্বৈরাচারীর পোষ্য বাহিনী তবুও এইটুকুই সম্বল ঘুমন্ত জাতির জেগে উঠার এলহান যদি কখনো ঘুম ভাঙে; শত বিনিদ্র রাত বেঘোরের ঘুম ভাঙাতে জানি ইতিহাস মনে রাখবেনা তার কাছে কোন দাবীও নেই। কিন্তু তবুও বলে যাবো বঞ্চিত মানুষের কথা মধ্য রাত্রের অন্ধকারে তোমাদের নিঃশব্দ তন্দ্রায় একদিন নিশ্চয়ই সত্যের জয় হবে; ইতিহাস মনে না-রাখুক চেতনার আবেদনে সত্যের বানী বলে যাব বারবার শতবার। যে কথা মিছিলে শ্লোগান হওয়ার সে আজ কবিতায় কিন্তু তোমরা এখনো ঘোর-নিদ্রায় জেনে রেখো একদিন, দেশলাইয়ের মত হাজার দুর্বল বিপ্লবী অবিভক্ত বিষ্পোরিত হবে সেদিন  জনতার চূড়ান্ত বিজয় হবে দলে দলে লোকেরা সেদিন আমাদের সাথী হবে ‘এইতো রবের ওয়াদা’ আমরা বেঁচি আছি সেদিনের অপেক্ষায় জানি ত...

বিষয়ভিত্তিক আয়াত ও হাদিস

মুমিনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কুরআন انى وجهت وجهى للذي فطر السموات والارض حنيفا وما انا من المشركين ـ (انعام ـ 79) উচ্চারণ: : ইন্নী ওয়াজজাহাতু ওয়াজহিইয়া লিল্লাযী ফাতরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাও ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। (১) আমি তো একমুখী হয়ে নিজের লক্ষ্য সেই মহান সত্তার দিকে কেন্দ্রীভূত করছি যিনি যমীন ও আসমানসমূহকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি কনিকালেও মুশরিকদের মধ্যে শামিল নই। (সূরা আনয়াম: ৭৯) قل ان صلاتى ونسكى ومحياي ومماتى لله رب العلمين ـ (انعام :162) উচ্চারণ: : কুল ইন্না ছালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়াইয়া ওযা মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন। (২) বল, আমার নামায, আমার যাবতীয় ইবাদত, আমরা জীবন ও মৃত্যু সবকিছুই সারা জাহানের রব আল্লাহরই জন্য। (সূরা আনয়াম: ১৬২) وما خلقت الجن والانس الا ليعبدون ـ (ذارية ـ 56) উচ্চারণ: : ওয়া মা খলাকতুল জিন্না ওয়াল ইনসা ইল্লা লিইয়া’বুদূন। (৩) আমি জ্বিন ও মানুষকে অন্য কোন উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি, কেবল এজন্য সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার বন্দেগী করবে। (সূরা যারিয়াহ: ৫৬) হাদীস عن ابى امامة (رض) قال قال رسول الله (صلعم) من احب لله وا...

সাইয়েদ মওদূদী (রহ.) ইসলামী অর্থ ব্যবস্থার মূলনীতি ও আমার চিন্তা

সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদূদী(রহ) এর 'ইসলামী অর্থ ব্যবস্থার মূলনীতি' পড়ছিলাম।বইতে মাওলানা মূলত চারটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিস্তারিত না কিন্তু ইসলামিক অর্থ ব্যবস্থা সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা লাভ করার জন্য হলেও পড়া উচিত। প্রশ্ন গুলো হলোঃ- ১/ইসলাম কি কোন অর্থনৈতিক বিধান রচনা করেছে?করে থাকলে তার খসড়া কি? ভূমি,শ্রম,পুঁজি ও সংগঠন খসড়ায় কি ধরনের মর্যাদা লাভ করেছে? ২/যাকাত ও সাদাকাহর অর্থ অর্থনৈতিক কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্য ব্যয় করা যাবে? ৩/আমরা কি সুদবিহীন অর্থব্যবস্থা প্রবর্তন করতে পারি? ৪/ইসলামের দৃষ্টিতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থাগুলোর কি ধরনের পারস্পরিক সম্পর্ক বিদ্যমান? ছোট একটা বই মাত্র ২৪ পৃষ্ঠা কয়েক পৃষ্টা পড়া শুরু করার পর চিন্তার জগতে হারিয়ে যাই!প্রায়শই এমন হয় পড়ার চেয়ে চিন্তা বেশি করে পড়া বাকী থাকে, চিন্তাগুলোও হারিয়ে যায় সময়ের ব্যবধানে। তাই চিন্তাগুলো সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য লিখতে বসলাম। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করছি। চিন্তার বিষয় হচ্ছে কেন্দ্রীয় যাকাত ও সাদাকাহ ফান্ডঃ যাকাত ও সাদাকাহকে অর্থনৈতিক কল্যাণ ও উ...