Skip to main content

ছাত্রশিবির

ছাত্রশিবির, নদীর স্রোত বদলে দেয়ার পথিকৃৎ,
জলন্ত স্ফুলিঙ্গ প্রজ্জ্বলিত করে চতুর্দিক
ডেকেফিরে সত্যের পাশে দাড়াতে
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সাথী হতে

গ্রীষ্ম,বর্ষা,শরৎ,হেমন্তে
ছুটেচলে অবিরাম দূর্বার গতিতে
নতুন দিনের শপথে শক্তি নিয়ে মুষ্টিতে
বুকচিতিয়ে রয় শত বাধা বিপত্তিতে
শীত, বসন্তে না ঝিমিয়ে
ন্যায়ের আওয়াজ তোলে তাকবিরে
কল্যাণ রাষ্ট্রের ফিকিরে

সাম্য,ন্যায়বিচার, স্বাধীনতার দাবীতে
ছুটে চলে মিছিলে,সিসাঢালা সে প্রাচীর
যায়না রোখা বুলেটে।
উন্নত সে চরিত্রে, স্বপ্ন নিয়ে বুকেতে
বিলায় জীবন মুহুর্তেই।

এসো তবে সাথী হই মিছিলের
গড়ে তুলি স্বপ্নের বাংলাদেশ
সুখ-শান্তি সমৃদ্ধিতে,
নীরবতা কোলাহলের সে মিলন
হবেই হবেই যদি সাথী হও মিছিলের।

Bangladesh Islami Chhatrashibir এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রিয়তমা কাফেলার জন্য দো'আ ও ভালোবাসা 🤍

Comments

Popular posts from this blog

পাকিস্তানে জামায়াত-ই-ইসলামী: বিপ্লবী আন্দোলন থেকে নির্বাচনী রাজনীতির গোলকধাঁধা

পাকিস্তানে জামায়াত-ই-ইসলামী: বিপ্লবী আন্দোলন থেকে নির্বাচনী রাজনীতির গোলকধাঁধা

ইবনে খালদুন: রাজদরবার থেকে সভ্যতার অন্তর্গত সূত্রের সন্ধানে

ইতিহাসের কিছু মানুষ কেবল একটি যুগের প্রতিনিধি নন। তাঁরা তাঁদের সময়কে পেরিয়ে ভবিষ্যতের সঙ্গে কথা বলেন। ইবনে খালদুন ছিলেন তেমনই একজন। তিনি রাজা ছিলেন না, কোনো সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। ছিলেন না যুদ্ধজয়ী সেনাপতি। তাঁর হাতে ছিল না কোনো বিশাল বাহিনী। অথচ রাজদরবার, যুদ্ধ, বিদ্রোহ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, নির্বাসন, কারাবাস এবং সভ্যতার উত্থান-পতন তাঁকে এমন একটি শিক্ষা দিয়েছিল, যা কোনো পাঠশালায় একা বসে অর্জন করা সম্ভব ছিল না। তিনি মানুষকে দেখেছিলেন ক্ষমতার খুব কাছে থেকে। দেখেছিলেন কীভাবে একটি রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়। কীভাবে সম্পদ জমা হয়। কীভাবে করের বোঝা বাড়তে বাড়তে অর্থনীতিকে দুর্বল করে। কীভাবে বিলাসিতা একটি বিজয়ী জাতির চরিত্র বদলে দেয়। আর কীভাবে যে জনগোষ্ঠী একসময় সাম্রাজ্য গড়ে, কয়েক প্রজন্ম পর তারাই সেই সাম্রাজ্যের ভার বহন করতে অক্ষম হয়ে পড়ে। এই দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের ফল ছিল একটি গ্রন্থ। আল-মুকাদ্দিমা। আর সেই গ্রন্থের লেখক আবু যায়দ আবদুর রহমান ইবনে খালদুন। আজ তাঁকে সমাজবিজ্ঞানের অগ্রদূত, ইতিহাসচিন্তার এক বিপ্লবী নাম এবং অর্থনৈতিক চিন্তার প্রাথমিক পথিকৃৎ হি...

মাঝে মাঝে

মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন সীমান্ত সৈনিক কাঁটাতারের বেড়াজাল ছেঁড়া শত্রুর অপেক্ষামান মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন লাইটহাউজ সুউচ্চ মিনার হতে পথহারা নাবিকের আশারআলো; মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন ক্রনোমিটার বিচ্ছেদের প্রহর শেষে ফিরে আসার সুচতুর অনুমান। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন পুরনো বই, ধুলোমলিন পড়ে রই টেবিলের এককোণে মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন কবিতার খাতা ভুল ব্যাকরণে লেখা তাই পড়েনি কেউ; মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন বৃষ্টি ভেজা রংধনু এক আকাশ মন খারাপ শেষে কারো মন ভালো। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি কোন অভিযোগকারী আকাশ পানে চেয়ে রবকে বলি রোজ ভুলতে চাই যন্ত্রনাদের